মোটরসাইকেলের চালকেরা নিজেদের প্লাস্টিকের হেলমেট নিজেরাই ভাঙলেন

· Prothom Alo

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও প্রাণহানি কমাতে এক ব্যতিক্রমী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান ২ নম্বর এলাকায় নিম্নমানের ও অনুমোদনহীন প্লাস্টিক হেলমেট বর্জন ও ভাঙার এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

ট্রাফিক পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলের অনেক চালক ও আরোহী মূলত ট্রাফিক আইন মেনে চলার চেয়ে জরিমানা এড়ানোর উদ্দেশ্যে এসব হালকা ও নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার করছেন। বাস্তবে এই ‘ভুয়া’ হেলমেটগুলো মাথাকে সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজারে প্রচলিত কমদামি প্লাস্টিকের হেলমেটগুলো দুর্ঘটনার সময় কার্যকর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। জীবন রক্ষায় চালক ও আরোহীদের অবশ্যই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনুমোদিত মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। ’

কর্মসূচি চলাকালে গুলশান ২ নম্বর সংলগ্ন ফিডার রোডে মোটরসাইকেল থামিয়ে চালকদের নিম্নমানের হেলমেটের অপকারিতা সম্পর্কে ব্রিফ করেন ট্রাফিক কর্মকর্তারা। ৯ এপ্রিল, ২০২৬

কর্মসূচি চলাকালে গুলশান ২ নম্বর–সংলগ্ন ফিডার রোডে মোটরসাইকেল থামিয়ে চালকদের নিম্নমানের হেলমেটের অপকারিতা সম্পর্কে ব্রিফ করেন ট্রাফিক কর্মকর্তারা। এরপর চালকরা নিজেরাই তাদের অনিরাপদ হেলমেটগুলো ভেঙে ভবিষ্যতে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন।

ট্রাফিক কর্মকর্তারা মনে করেন, এটি শুধু একটি প্রতীকী কর্মসূচি নয়। নিরাপদ সড়ক গড়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। নিজের জীবনের মূল্য বুঝে সঠিক হেলমেট বেছে নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

ট্রাফিক গুলশান বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইন মানা কেবল জরিমানা এড়ানোর জন্য নয়, বরং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

Read full story at source