ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির দুই প্রার্থীর করা নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট
· Prothom Alo

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির দুজন প্রার্থীর করা পৃথক দুটি নির্বাচনী আবেদনের ওপর আগামী ১১ মে শুনানি হবে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার এ আদেশ দেন।
আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর রহমান ও পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব। রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারী সরদার ও পাবনা-৪ জামায়াতে ইসলামীর আবু তালেব মণ্ডল নির্বাচিত হয়েছেন।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
নির্বাচনসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানির জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে ওই একক বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। ওই একক বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় নির্বাচনী আবেদন দুটি মোশন (নতুন মামলা) হিসেবে ছিল। আদালতে আবেদনকারী দুই প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস।
মো. রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের বলেন, দুজন প্রার্থী তাঁদের (রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসন) আসনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়ম, কারচুপি ও তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট নির্বাচনী আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন। শুনানির জন্য ১১ মে দিন রেখেছেন।
প্রতিপক্ষের ওপর অর্থাৎ বিজয়ী প্রার্থী আবদুল বারী সরদার ও আবু তালেব মণ্ডল এবং উভয় আসনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, নোটিশ ফেরত আসার জন্য ১১ মে দিন রেখেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে ওই দুটি আসনের সব নির্বাচনসামগ্রী অর্থাৎ ব্যালট পেপার, বক্স ও সিল সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তিনি হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। এ নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ও আজ ছয় প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।