তিন মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদারের জামিন, কারা মুক্তিতে বাধা নেই

· Prothom Alo

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় করা তিনটি মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার। জামিন চেয়ে তাঁর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি সৈয়দ হাসান যুবায়েরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার রুলসহ এ আদেশ দেন। তিন মামলায় জামিন হওয়ায় দীপংকর তালুকদারের কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

Visit mchezo.co.za for more information.

হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা, পল্টন মডেল ও বংশাল থানায় করা পৃথক তিন মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন দীপংকর তালুকদার। আদালতে তাঁর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অনাবিল আনন্দ রায়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলী খানম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় ভাটারা, পল্টন মডেল ও বংশাল থানার ওই তিন মামলার এজাহারে দীপংকর তালুকদারের নাম নেই বলে জানান তাঁর আইনজীবী অনাবিল আনন্দ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁর (দীপংকর তালুকদার) বয়স ৭৬ বছর। তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। সন্দেহভাজন হিসেবে এসব মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। হাইকোর্ট রুল দিয়ে দীপংকর তালুকদারকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। এই তিন মামলায় জামিন হওয়ায় তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।’

এর আগে রাজধানীর সোবহানবাগ এলাকা থেকে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দীপংকর তালুকদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশের দিন সংঘর্ষে যুবদল নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় দীপংকর তালুকদারকে প্রথমে গ্রেপ্তার দেখানো হয় বলে জানান তাঁর আইনজীবী অনাবিল আনন্দ রায়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এরপর একে একে ভাটারা, শাহবাগ, পল্টন ও বংশাল থানার পৃথক চারটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই পাঁচ মামলায় জামিন পাওয়ার পর ভাটারা, পল্টন মডেল ও বংশাল থানার পৃথক তিন মামলায় গত ১৮ মে দীপংকর তালুকদারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই তিন মামলায় আজ তিনি জামিন পেয়েছেন।

দীপংকর তালুকদার রাঙামাটি আসন থেকে নির্বাচিত পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রেপ্তার হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

Read full story at source