বগুড়ার কাহালুতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম কৃষি পর্যটন প্রকল্প

· Prothom Alo

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের এ প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী ও সংগীত পরিচালক মিলন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম

বগুড়ার কাহালুতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেড’। বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে এ প্রকল্পের অবস্থান।

Visit afsport.lat for more information.

গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের এ প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সঙ্গে থাকা দেড় শতাধিক অংশীদারের হাতে জমির সাফ কবলা দলিলও তুলে দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী ও সংগীত পরিচালক মিলন মাহমুদ। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম। প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

সুখের খামারের উন্মোচিত এ নকশায় রয়েছে ১০০ কক্ষের রিসোর্ট রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন হল, সুইমিং পুল, বোটিং সুবিধাসহ নানান সুবিধা। রিসোর্টের পাশেই একই আঙিনায় থাকছে সমন্বিত কৃষি খামার, ৪০০ গরুর খামার, বটম ক্লিন পদ্ধতির মাছের খামার, ছাগল ও দুম্বার খামারসহ ১ মেগাওয়াট উৎপাদনের সৌর বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস প্লান্ট এবং একটি জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা।

প্রকল্পের মাটি ভরাট ও সড়ক নির্মাণ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকে পুরোদমে এটির নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে বলে জানান আয়োজকেরা।

অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ন্যায্য দাম না পাওয়া। অ্যাগ্রো টুরিজম সে সমস্যার একটি সমাধান। কারণ, এখানে কৃষক শুধু ফসল বিক্রি করেন না, অভিজ্ঞতাও বিক্রি করেন। স্মার্ট কৃষিই হবে বাংলাদেশের পরবর্তী বিপ্লব আর সুখের খামার তার একটি বাস্তব উদাহরণ।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম বলেন, ‘এক গ্রামে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি তৈরি হয়েছে। আমরা মাটি থেকে শুধু ফসল নয়, ভবিষ্যৎ ফলাতে চাই। আজকের এ নকশা সেই ভবিষ্যতেরই প্রতিচ্ছবি।’

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে আটটি সুখের খামার অ্যাগ্রো ভিলেজ গড়ে তোলা।

সুখের খামার অ্যাগ্রো ভিলেজ কী

সুখের খামার অ্যাগ্রো ভিলেজ বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো টুরিজম প্রজেক্ট। এখানে সাধারণ মানুষ শেয়ারের মাধ্যমে জমিসহ প্রকল্পের মালিক হন, প্রকল্পের ১৫টি উৎস থেকে অর্জিত প্রকৃত লাভের অংশ পান এবং প্রতিবছর পরিবারসহ রিসোর্টে বিনা মূল্যে থাকার সুযোগ পান এবং উৎপাদিত প্রতিটি পণ্য সাশ্রয় মূল্যে কেনার সুযোগ পান।

Read full story at source