যৌথ ঘোষণাপত্রে কী থাকছে

· Prothom Alo

ব্রিকস নেতারা সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২০২৬’ শীর্ষক ৪৫ পৃষ্ঠার যৌথ ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেছেন। সম্মেলনের স্বাগতিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ঘোষণাপত্র অনুমোদনের কথা জানান।

Visit biznow.biz for more information.

ঘোষণাপত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘কাঠামোগত পরিবর্তন’সহ বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলোর সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি একপক্ষীয়ভাবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নাবিক ও বাণিজ্যিক নৌপরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ব্রিকসের সদস্য ও নিরাপত্তা পরিষদের দুই স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া জাতিসংঘ এবং নিরাপত্তা পরিষদে ব্রাজিল ও ভারতের আরও বড় ভূমিকা পালনের আকাঙ্ক্ষার প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিশেষভাবে আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্য মার্কিন ডলারের বদলে নিজস্ব মুদ্রায় পরিচালনা করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে পরিবর্তিত বিশ্বকে পুরোনো আমলের প্রতিষ্ঠান দিয়ে চালানো সম্ভব নয়; প্রতিনিধিত্ব, সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা এবং নীতিনির্ধারণে সংস্কার এখন অপরিহার্য। আমরা এই বিষয়েও জোর দিয়েছি যে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি এবং তা পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়নে বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) সমঅংশগ্রহণ থাকতে হবে।’

মোদি বলেন, ‘গৃহীত নয়াদিল্লি ঘোষণা আমাদের যৌথ অঙ্গীকারকে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এখন এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর করা আমাদের দায়িত্ব।’

যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত ব্রিকস

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করছি যে বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে এক সংকটপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঢালাওভাবে শুল্ক ও শুল্কবহির্ভূত বাধা বাড়ানো কিংবা পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে সংরক্ষণবাদের মতো ডব্লিউটিওর নিয়মের পরিপন্থী বাণিজ্য-প্রতিবন্ধকতার প্রসার ঘটছে।’ আরও বলা হয়, এগুলো বৈশ্বিক বাণিজ্য আরও হ্রাস করার, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত করার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি করার ঝুঁকি বাড়ায়; যা বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও তীব্র করতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

Read full story at source