এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তিন ব্যক্তি গ্রেপ্তার, বাস জব্দ
· Prothom Alo

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশের মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী একটি বাস জব্দ করা হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে বনানী থানা-পুলিশ ও র্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসটির চালক সোহেল রানা (৪০), সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনির (১৮)।
Visit livefromquarantine.club for more information.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানীর মহাখালী এলাকা থেকে জব্দ করা ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটির্যাব-১-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইসমাইল হোসেন জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে র্যাব-১-এর একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাকে মহাখালীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে অপর দুই সন্দেহভাজন আসামি সাজু ও মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটি জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের বনানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আসামি গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে আগামীকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ: মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন ইসমাইল