দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধরের পর চুল কেটে দিলেন প্রথম পক্ষের সন্তান–স্বজনেরা

· Prothom Alo

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক নারীকে (৩৯) মারধর করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

Visit betsport.cv for more information.

গত সোমবার রাতে দেবীগঞ্জ উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ওই নারীকে নির্যাতন করা হয়। বর্তমানে তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন, আবদুল হক (৫০), সুজন ইসলাম (১৯) ও চাঁন মিয়া (৩২)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। বিচারক তাঁদের জেলহাজতে (কারাগারে) পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই নারী গত ১২ জুন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে তিনি আরেকজনকে বিয়ে করেন। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে ওই ব্যক্তির প্রথম পক্ষের স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনেরা ওই নারীর ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাঁরা তাঁকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে  মারধর করেন এবং বিয়ের কাগজপত্র ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। এ সময় ব্লেড ও কাঁচি দিয়ে তাঁর মাথার চুলের কিছু অংশ কেটে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, তাঁরা বিয়ের কাগজ দেখতে চেয়েছিলেন। আদালতে বিয়ের এফিডেভিট আর তাঁর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কাগজপত্র দেখানোর পর তাঁরা সেগুলো ছিনিয়ে নেন এবং লাঠি আর লোহার রড দিয়ে মারধর করেন। তিনি দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেননি বলে স্বীকার করেন।

দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, ওই নারীকে মারধরের ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তিনজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Read full story at source