কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রচারণায় বলিউড তারকা শাহরুখ খান

· Prothom Alo

নিজেদের তৈরি জেমিনাইয়ের বিভিন্ন সক্ষমতা তুলে ধরে ভারতে একটি নতুন বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেছে গুগল ইন্ডিয়া। বিজ্ঞাপনটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড তারকা শাহরুখ খান। প্রচারণাটির সৃজনশীল পরিকল্পনা এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন প্রসূন জোশি। ম্যাকক্যান ইন্ডিয়া ও নির্বাণ ফিল্মসের সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছে গুগলের এ বিজ্ঞাপন।

Visit freshyourfeel.com for more information.

ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে। তবে দৈনিক ব্যবহারে এটি কেবল শহরের ইংরেজিভাষী মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। স্তর–২ ও স্তর–৩ শহরের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে জেমিনাইকে আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়াই গুগলের এ প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য। বিজ্ঞাপনে জেমিনাইকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা মানুষের কথা শোনে, বোঝে এবং দৈনন্দিন সিদ্ধান্তে সাহায্য করে। ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ভাষায় সাহায্যকারীর মতোও কাজ করেছে জেমিনাই।

বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, এক তরুণ তাঁর বাবার পুরোনো ব্যবসাকে নতুন আঙ্গিকে শুরু করার জন্য জেমিনাইকে ব্যবহার করছেন। এ ক্ষেত্রে সেই তরুণদের জেমিনাই ব্যবহারের পরামর্শ দেন শাহরুখ খান। আরেক বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, এক তরুণী নিজের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে চান। সে সময় জেমিনাই ভিডিও ব্যবহার করে শাহরুখ খান জেমিনাই ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

গুগল ইন্ডিয়ার মার্কেটিং ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখর খোসলা বলেন, ‘প্রযুক্তি যখন কেবল একটি যন্ত্র না হয়ে জীবনের দৈনন্দিন মুহূর্তের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখনই তা সত্যিকারের জাদু সৃষ্টি করে। গুগল জেমিনাইয়ের মাধ্যমে আমরা শুধু আকাঙ্ক্ষা ও অর্জনের দূরত্ব কমাচ্ছি না, আমরা ভারতের হৃৎস্পন্দনকে ছুঁয়ে যাচ্ছি নিজের ভাষা, আবেগ ও স্বাচ্ছন্দ্যের মাধ্যমে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে শাহরুখ খান ও প্রসূনের সঙ্গে কাজ করা চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল। আশা করি, এটি দৈনন্দিন সফলতার জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে এবং প্রতিটি মুহূর্তে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করবে।’

ওমনিকম অ্যাডভারটাইজিং ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান প্রসূন জোশি বলেন, ‘বিজ্ঞাপনের গল্প কেবল জীবনের বিচ্ছিন্ন গল্প নয়। এগুলো আমার মনে থেকে যাওয়া বিশেষ কিছু মুহূর্ত থেকে এসেছে। আশা করি, দর্শক এর সঙ্গে সংযোগ খুঁজে পাবেন। গল্পগুলোর মূল বিষয় হলো সংযোগ, কীভাবে আমরা যোগাযোগ করি, বুঝি এবং অনিশ্চয়তার মুহূর্ত অতিক্রম করি। গুগল জেমিনাইয়ের মাধ্যমে আমরা দেখেছি কীভাবে প্রযুক্তি শব্দ না করে দৈনন্দিন জীবনে মিশে যেতে পারে। মানুষকে তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলার সুযোগ দিয়ে জেমিনাইকে যন্ত্রের বদলে এক বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল।’ 

সূত্র: ব্র্যান্ডিং ইন এশিয়া

Read full story at source