মৌলভীবাজার সীমান্তে গুলিতে নিহত তরুণের লাশ ফেরত দিল বিএসএফ

· Prothom Alo

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মাগুরুলি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত তারা মিয়ার (২০) লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার চাতলাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

এদিকে চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত তারা মিয়ার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিজিবির পক্ষ থেকে কুলাউড়া থানায় মামলা হয়েছে। তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা আবদুল মালেক ও আজিরুন্নেছা দম্পতির ছেলে।

Visit albergomalica.it for more information.

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়ন ও কুলাউড়া থানা সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পাঁচটার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। এরপর লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। এ সময় ভারতের প্রতিনিধিদলে ত্রিপুরা রাজ্যের ইরানি থানার পরিদর্শক শ্রীকান্ত চক্রবর্তী ও বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের মাগুরুলি কোম্পানি কমান্ডার এ সি রোহিত ছিলেন। আর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম ও বিজিবির আলীনগর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কাজী নাসিম, কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিলভেস্টার পাঠাং ও নিহত তারা মিয়ার বড় ভাই রাজু মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ নিহত

এর আগে দুপুরের দিকে বিজিবির পক্ষ থেকে নিহত তারা মিয়ার চারজন সহযোগীর নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করা হয়। আসামিদের বাড়ি কর্মধা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।

কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চলছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মাগুরুলি সীমান্ত দিয়ে গত শনিবার গভীর রাতে একদল চোরাকারবারি ভারতের ৫০০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা মিয়াও ওই দলে ছিলেন। বিএসএফের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান। এরপর ভারতীয় পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে কৈলাসহর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

Read full story at source