ফ্রান্সের উচিত আমাদের ভয় পাওয়া—এ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ইয়ামাল

· Prothom Alo

‘ফ্রান্স আমাদের চেয়ে ভালো দল নয়। ওদের উচিত আমাদের ভয় পাওয়া।’

ব্যস, হয়ে গেল! স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামালের এমন মন্তব্যের পর থেকেই ফুটবলমহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছিল।

Visit newsbetting.cv for more information.

অনেকেই বলেছিলেন, ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ একটু বেশিই বলে ফেলেছেন। বিশেষ করে এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স যেভাবে খেলেছে, তাতে দলটির প্রতি আলাদা একটা সমীহ ছিল সবার। তবে মঙ্গলবারের হাই ভোল্টেজ সেমিফাইনালের আগে নিজের সে মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইয়ামাল নিজেই।

ইয়ামাল যখন এ মন্তব্য করেছিলেন, তখনো নিশ্চিত ছিল না বিশ্বকাপে এই দুই দল মুখোমুখি হবে কি না। এখন সেমিফাইনালে একে অন্যের বিপক্ষে খেলতে হওয়ায় অবধারিতভাবেই সংবাদ সম্মেলনে সে প্রসঙ্গ উঠে আসে।

নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে ইয়ামাল বলেন, ‘আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই কি না। আমি বলেছিলাম, আমি ভয় পাই না। আমরা ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন। আর এটা তো ফুটবল খেলা।’

ইয়ামাল এখানে পাশে পাচ্ছেন তাঁর বার্সা সতীর্থ জুলস কুন্দেকে। ফরাসি ডিফেন্ডার কুন্দে ইয়ামালের মন্তব্য নিয়ে বলেছেন, ‘এমন মন্তব্যকে আমি কখনোই অসম্মান মনে করিনি। আমি লামিনেকে খুব ভালো করেই চিনি। আমার কাছে মনে হয়, এটি ওর আত্মবিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ। বার্সেলোনাতেও আমি ওকে এভাবে দেখতে অভ্যস্ত। ওদের নিজেদের প্রতি এবং দলের প্রতি প্রচণ্ড ভরসা আছে। আমি বিষয়টিকে ওর ব্যক্তিগত বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবেই দেখছি, অন্য কিছু নয়।’

৯ গোলের থ্রিলার থেকে ইয়ামালের জাদু: ফ্রান্স-স্পেন লড়াইয়ের সেরা ৫ রূপকথা

ইয়ামাল ফ্রান্সের শক্তিমত্তাকে খুব একটা সমীহ না করলেও স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে মনে করছেন, ফ্রান্স অনেক শক্তিশালী। অন্তত গত বছর নেশনস লিগের সেমিফাইনালের দলের তুলনায়। সেই সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়েছিল স্পেন। একপর্যায়ে ৫-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা স্পেনকে শেষ দিকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল ফরাসিরা।

সংবাদ সম্মেলনে দে লা ফুয়েন্তে

দে লা ফুয়েন্তে মনে করছেন, ‘আমার মনে হয়, তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। কারণ, ওদের ফুটবলাররা এখন আরও অভিজ্ঞ হয়েছে। এখন তারা আগের চেয়ে অনেক ভালো ফুটবল খেলছে। গত দুই বছরে তারা নিজেদের দক্ষতা অনেক বাড়িয়ে নিয়েছে।’

চার সম্ভাব্য ফাইনাল, কোনটি সবচেয়ে জমজমাট

Read full story at source