নাটোরে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে রোগীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী গ্রেপ্তার

· Prothom Alo

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মাকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে (আউটসোর্সিং) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গণ (২৩)। তাঁরা নাটোর শহরের আলাইপুর সুইপার কলোনির বাসিন্দা।

Visit betsport.cv for more information.

সদর থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নাটোর পৌর এলাকার এক নারী তাঁর দুই বছর বয়সী অসুস্থ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ৫ জুন সন্ধ্যায় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। গত রোববার রাত ১১টার দিকে অমিত শিশুটির মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে লিফটে নিয়ে যান। পরে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন অনিল ও প্রাঙ্গণ।

ওই ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অনিল ও প্রাঙ্গণ চাপ দেন। অসুস্থ শিশুটি মাকে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা আনসার সদস্যদের নিয়ে ভুক্তভোগী নারীর সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ওই নারীকে তাঁরা উদ্ধার করেন। ভুক্তভোগী নারী তাঁদের ঘটনার বিস্তারিত জানান।

অভিযোগ আছে, এ সময় আনসার সদস্যরা হাসপাতালের কর্মীদের পরামর্শে অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছেড়ে দেন। ভুক্তভোগী নারীও এ ঘটনায় মামলা করতে উৎসাহ দেখাননি।

গতকাল সোমবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তৎপর হয় এবং অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করে। আজ ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

তবে ওই হাসপাতালের আনসার সদস্য আল আমিন বলেন, তাঁরা নার্সদের কাছে ঘটনা শুনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তদের আটক করেন। তবে পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে ছাড়া পেয়েছেন, তা তিনি জানেন না।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান বলেন, অসুস্থ শিশুটির কান্নাকাটি শুনে কর্মীরা তাৎক্ষণিক ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশকে তাঁরা সব রকম সহযোগিতা করেছেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলছে।

Read full story at source