আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

· Prothom Alo

ধীরে ধীরে পরিচালন খরচ কমিয়ে উন্নয়নে বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ করা হবে। আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করা হবে। অর্থনীতি হবে সবার জন্য। আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনলাইন সংবাদমাধ্যম চরচা আয়োজিত বাজেট আলোচনায় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ কথা বলেন। ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জুনায়েদ আবদুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি)।

Visit bettingx.bond for more information.

গোলটেবিলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, আইসিএমএবি সভাপতি কাউসার আলম, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘অর্থনীতির গতি সঞ্চার করতে এবার বড় বাজেট দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো যায়। এতে করহার না বাড়িয়েও রাজস্ব আয় বাড়ানো যাবে। ইতিমধ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার আমরা আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব।’

অপচয় দূর করা প্রধান লক্ষ্য হবে

দুর্নীতির চেয়ে অপচয় হয়তো বেশি হয়, তাই বাজেটে অপচয় দূর করা প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে আমরা অপচয় কমানোর চেষ্টা করছি। দেখা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, কিন্তু সঞ্চালন লাইন নেই। হাসপাতাল আছে, কিন্তু ডাক্তার-নার্স নেই। এসব খাতে স্পষ্ট অপরিকল্পনার ছাপ দেখা যায়। এসব দূর করা হবে।’

অর্থনীতিবিদ এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এটা বাড়তে থাকায় চাহিদা কমছে। ব্যবসা পরিচালনাও সমস্যা হচ্ছে। এখন বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সঠিক সময় কি না, আমি সেটা নিশ্চিত না।’

বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ১ লাখ কোটি টাকার রাজস্বঘাটতি রয়েছে। নতুন বাজেটে সব মিলিয়ে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার কথা বলা হচ্ছে। এটা করতে গেলে আমরা কর সন্ত্রাসের শিকার হব। আর এনবিআরের সংস্কার হোক বা না হোক, নীতি ও বাস্তবায়ন শাখা আলাদা করা উচিত।’

Read full story at source