থাইল্যান্ডে সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড

· Prothom Alo

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত। এবার ইতিহাসও গড়লেন তিনি। ৪৮ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা ও থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়—আর তাতেই ভাঙল বিশ্ব রেকর্ড।

Visit truewildslot.com for more information.

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির আগ্নেয়গিরি ওহোস দেল সালাদোর চূড়ায় অবতরণ করেন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। এটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুটে অবতরণের বিশ্ব রেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’

Read full story at source