স্পোর্টস এবং কালচার উইং চালু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শামা ওবায়েদ

· Prothom Alo

ক্রীড়া কূটনীতিকে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথমবারের মতো স্পোর্টস এবং কালচার উইং চালু করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তাঁর দাবি, বিএনপি সরকারের এ উদ্যোগ ক্রীড়া জগতে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। শনিবার বিকেলে সারা দেশের মতো ফরিদপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন শামা ওবায়েদ।

Visit raccoongame.org for more information.

এর আগে সিলেট স্টেডিয়াম থেকে সারা দেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’–এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ অনুষ্ঠান ফরিদপুর স্টেডিয়ামে সরাসরি সম্প্রচারের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ফরিদপুরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ফরিদপুরের প্রতিযোগিতার সূচনা করেন শামা ওবায়েদ।

ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি’ বা ক্রীড়া কূটনীতির বিষয়টি তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্পোর্টস ডিপ্লোমেসির (ক্রীড়া কূটনীতি) কথা বলেছেন। আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্পোর্টস এবং কালচার উইং চালু করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই স্পোর্টস এবং কালচার উইং শুধু ক্রীড়া কূটনীতিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্যই চালু করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মিটিংও হয়েছে।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ক্রীড়া কূটনীতিকে আমরা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। এর ফলে এ দেশের সন্তানেরা বিদেশে গিয়ে খেলবে, বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করবে।’

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলে ছেলে–মেয়েদের পথ দেখাবে বলে মনে করেন শামা ওবায়েদ। কোমলমতি শিশুদের মাদক থেকে দূরে রাখতে ও তারা যাতে বিপথগামী না হয়, সে জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়ার বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে নতুন কুঁড়ি শুরু করেছিলেন। মাদক থেকে দূরে সঠিক পথে থেকে পড়াশোনা করে একজন প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দেবে এই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস।

শিশু–কিশোরদের উৎসাহ জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দেশের সব বিভাগের মধ্যে ফরিদপুর জেলাকে ভালো অবস্থানে রাখতে হবে। ফরিদপুরের ছেলে–মেয়েরা প্রতিযোগিতায় প্রথম হতে পারলে আমার পক্ষ থেকেও থাকবে বিশেষ পুরস্কার।’
এ সময় ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. ইলিয়াছুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলীসহ সরকারি দপ্তরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read full story at source