গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক

· Prothom Alo

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: বিস্তৃত উত্তর–প্রশ্ন

Visit freshyourfeel.org for more information.

প্রিয় পরীক্ষার্থী, ১৫ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হবে। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে বিস্তৃত উত্তর–প্রশ্ন থাকবে ৪টি। সব কটির উত্তর দিতে হবে। নম্বর থাকবে প্রতিটি প্রশ্নে ৬ করে মোট ২৪।

 

প্রশ্ন: গারোদের আদি ধর্মের নাম কী? বর্তমানে তারা কোন ধর্মের অনুসারী? গারোদের বাসস্থান সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখো।

উত্তর: গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।

বর্তমানে বেশির ভাগ গারো খ্রিষ্টধর্মের অনুসারী।

গারোদের বাসস্থান সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো—

১. অতীতে গারোরা নদীর তীরে তাদের বাড়িগুলো নির্মাণ করত।

২. এ বাড়িগুলো সাধারণত দুচালাবিশিষ্ট দীর্ঘ আকারের হতো।

৩. এ ধরনের বাড়ির নাম ছিল ‘নকমান্দি’।

৪. বর্তমানে তারা অন্যদের মতোই করোগেটেড টিন এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়ে বাড়ি তৈরি করে।

প্রশ্ন: অটিজম কোন ধরনের সমস্যা? অটিস্টিক শিশুদের আমরা বিশেষ যত্ন নেব কেন? অটিস্টিক শিশুরা খেলনা নিয়ে কী করে, চারটি বাক্যে লেখো।

উত্তর: অটিজম মানসিক বিকাশগত সমস্যা।

অটিস্টিক শিশুদের বিশেষ যত্ন নিলে তারাও সমানভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

অটিস্টিক শিশুরা খেলনা নিয়ে যা করে, তা চারটি বাক্যে তুলে ধরা হলো—

১. অটিস্টিক শিশুরা খেলনা নিয়ে খেলে না।

২. তারা এগুলোকে শক্ত করে ধরে বসে থাকে।

৩. খেলনাগুলোর গন্ধ নেয় বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে।

৪. কোনো একটি বিশেষ জিনিসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে এবং সেটি সব সময় সঙ্গে সঙ্গে রাখে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন: ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ কবে পালন করা হয়? এ দিবসটি পালন করা হয় কেন? আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য চারটি বাক্যে লেখো।

উত্তর: প্রতিবছর ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

নারী অধিকার নিশ্চিত করাসহ নানা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য এ দিবসটি পালন করা হয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য চারটি হলো—

১. পুরুষের সমান মজুরি এবং দৈনিক আট ঘণ্টা শ্রমের দাবি প্রতিষ্ঠা করা।

২. নারীর অধিকার নিশ্চিত করাসহ নানা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা।

৩. নারী-পুরুষ সমতার অনগ্রসরতাকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা।

৪. জীবনের সবখানে নারীর ক্ষমতার দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে বিশ্বব্যাপী উৎসাহমূলক পরিবর্তন আনা।

প্রশ্ন: গণতান্ত্রিক মনোভাব কী? গণতান্ত্রিক মনোভাব কেন প্রয়োজন? বিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের চারটি ধাপ উল্লেখ করো।

উত্তর: অধিকাংশের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এবং সম্মান করাকে গণতান্ত্রিক মনোভাব বলে। সবার স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুবিধার জন্য গণতান্ত্রিক মনোভাব প্রয়োজন। বিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের চারটি ধাপ হলো—

১. সবার মতামত জানতে চাওয়া।

২. গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে সঠিক ধারণা দেওয়া।

৩. সবচেয়ে সুবিধাজনক প্রস্তাবটি গ্রহণ করা।

৪. প্রাপ্ত মতামতগুলো পর্যালোচনা করে সুবিধা ও অসুবিধা যাচাই করা।

  • রাবেয়া সুলতানা, শিক্ষক
    বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকা

Read full story at source