বাংলা ভাষার ঘর, আত্ম এবং পর

· Prothom Alo

‘বাংলা ভাষায় আত্মজীবনী লেখেন শুধু মেয়েরা—তা-ও পূর্ববঙ্গের।’ কথাটা প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন। এখানে যোগ করতে চাই যে খোদ বাংলা ভাষার আত্মকথাও সম্ভবত তার শ্রেষ্ঠ সব পুরুষ, ভদ্রলোক, উচ্চবর্গীয় আত্মসত্তার হদিসে মিলবে না। তার নাড়ির খবর জানতে বাঙাল, আমজনতা, মেয়ে, সংখ্যালঘু, বিদেশি ইত্যাদি প্রান্তিক বর্গের তালাশ করা জরুরি।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

সাহিত্য হলো বহু মানুষের ‘সহিত’ মিলিত হওয়ার বাসনার ফল, আর রস হলো বহু হৃদয়ের একাত্মতার গাঁথুনি। ভাষায় রসের সঞ্চারের দ্বারাই হরেক রকমের মুখ ও হৃদয় সমাজ আকারে সংকলিত হয়। প্রাচীন যুগে শাস্ত্রীয় ভাষার আধিপত্যের ঘেরাটোপ ভেঙে দেশি ভাষায় কবিরা লিখতেন বিদ্যমান উচ্চবর্গীয় গণ্ডি ভেঙে বৃহত্তর রসের সমাজ গঠন করার জন্য।

পনেরো শতকের বিদ্যাপতি সংস্কৃত ভাষা ছেড়ে অবহট্ট ভাষায় কীর্তিলতা রচনা করার সাফাই হিসেবে লিখেছিলেন, ‘সক্কঅ বাণী বহুঅ ণ ভাবই।। পাউঅ রস কো মম্ম ন পাবই।। দেসিল বয়ণা সব জন মিট্ঠা।। তেঁ তৈসন জম্পউ অবহঠ্ঠা।।’ অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষা সবাই বোঝে না। ফলে দেশিল বয়ান, যা সর্বজনের কাছে মিষ্টি, সেই অবহট্ট ভাষায় তিনি কাব্য রচনা করছেন। সতেরো শতকে ভুলুয়ার আবদুল হাকিম যে আরবি-ফারসি কিতাবের তরজমা করলেন বাংলায়, তার কারণ সর্বজন আরবি-ফারসি না জানলেও কিতাবে কী লেখা আছে তা জানার ‘হাবিলাষ’ বা বাসনা রাখত। সেই বাসনাধারী রসগ্রাহী সর্বজনকে তোষণ করা ও শিক্ষা দেওয়াই ছিল হাকিমের উদ্দেশ্য। সর্বজনের সঙ্গে কেবল জ্ঞান, শিক্ষা, শাস্ত্র ও ধর্মের নয়; বরং রস, বাসনা, একাত্মতার সংযোগ প্রতিষ্ঠা করাও ছিল কবিদের উদ্দেশ্য। মানুষের মুখের ভাষা সাহিত্যে আনা তথা ভারনাকুলার ভাষার প্রতিষ্ঠা আকারে এটা পরিচিত। মুখ বলতে মানুষের সামাজিক মুখ। বিপরীতে রাষ্ট্রের বরাতে ঘটে ভাষার দপ্তরিকরণ। যেমন প্রমিত বনাম ফোক ভাষা।

সাহিত্য হলো বহু মানুষের ‘সহিত’ মিলিত হওয়ার বাসনার ফল, আর রস হলো বহু হৃদয়ের একাত্মতার গাঁথুনি। ভাষায় রসের সঞ্চারের দ্বারাই হরেক রকমের মুখ ও হৃদয় সমাজ আকারে সংকলিত হয়।

উনিশ শতকে বাংলা মুদ্রিত গদ্যে জোয়ার এসেছিল উপনিবেশি ভদ্রলোক সমাজের পুরুষতান্ত্রিক সম্ভ্রান্ততার আদবে। শুরুটা অবশ্য ভদ্রবিত্ত পুরুষকেন্দ্রিক ছিল না। উইলিয়াম কেরির কথোপকথন নামক গ্রন্থে (১৮০১) ভাষার বহুস্তরিক জনসমীক্ষা বা রামরাম বসুর প্রতাপাদিত্যচরিত (১৮০১) বইটিতে শব্দ ও ভাষারীতির অপার বৈচিত্র্য দেখা যায়। ক্রমে গুরুগম্ভীর তৎসমপ্রধান ভাষাই ভদ্রলোকের জাহেরি ভাষা হয়ে উঠল। ভাষা নিয়ে সেকালের বাংলায় যে বহুমাত্রিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার কেন্দ্র ছিল কলকাতা। ভবানীর কলকাতা কমলালয় কাহিনিতে দেখা যায়, কলকাতা নগরীতে বহিরাগতরা এসে শ্রমের বাজার খেয়ে দিচ্ছে এই নিয়ে স্থানীয়দের যেমন উদ্বেগ ছিল, তেমনই নানা যাবনিক শব্দের বাংলায় প্রবেশ নিয়েও ভদ্রবিত্ত সমাজে উদ্বেগ ছিল। সে সময়ের ভাষা ও বাঙালি পরিচয়ের সীমানা ও স্তরায়ণ নিয়ে মোক্ষম দলিল পাওয়া যায় ভবানীর নববিবিবিলাস উপন্যাসে। এতে লেখক ‘বাঙাল’ ও ‘মুসলমান’দের প্রান্তিকতা তাদের ভাষার আঞ্চলিক অভিব্যক্তির সূত্রে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাংলা ভাষার ঘরের ভেতরের অপরগুলোকে ছেঁকে বাদ দিয়ে যে সম্ভ্রান্ত ভাষাটি গড়ে ওঠে, তাকে উপনিবেশি-প্রমিত অর্থাৎ ইঙ্গ-সংস্কৃতভাবাপন্ন বাংলা বলা যায়।

অবশ্য কলকাত্তাই ভদ্রবিত্তের বিশুদ্ধতাবাদী ভিক্টোরীয় ইঙ্গ-সংস্কৃতভাবাপন্ন বাংলাকে সুখের ঘরের ঘেরাটোপ বানিয়ে বেশি দিন টেকার সুযোগ ছিল না। কেশবচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র, দেবেন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখের হাত ধরে বিমূর্ত গুরুগম্ভীর ব্রাহ্মভাব থেকে পপুলার ধর্মতত্ত্বের দিকে মোড় নিল সাহিত্য, চিন্তা, ধর্ম ও ভাষা। অভিব্যক্তির পরিধি প্রসারিত হলো। স্বদেশি যুগের পটভূমিতে লোকসাহিত্য চর্চা, গণ আন্দোলন, নিম্নবর্গীয় জাতের মানুষের জাতীয় ইতিহাস রচনা কিংবা বাঙালি মুসলমানদের জোরালো উপস্থিতির ফলে জনপরিসর পাল্টে যেতে লাগল।

তত দিনে বাঙালি মুসলমান সাহিত্যচর্চায় সক্রিয় শরিক—মীর মশাররফ হোসেন বা কায়কোবাদের হাত ধরে। তবু এই তো সেদিন, ১৮৮৯ সালেও শেখ আবদুস সোবহান তাঁর হিন্দু মুসলমান বইটি শুরু করেন এই কথা দিয়ে যে, ‘আমি জাতিতে মোসলমান—বঙ্গভাষা আমার জাতীয় ভাষা নহে…তাতে আবার জন্মস্থান পূর্ববঙ্গে।’ সোবহানের এই কথায় বাংলা ভাষার সেকেলে ভদ্রলোকি ঘেরাটোপের সাপেক্ষে নিজের মুসলমান ও বাঙাল পরিচয়ের উটকো দশার স্বীকৃতি আছে। তিনি আরবি, ফারসি ও উর্দুকে বাঙালি মুসলমানের ‘জাতীয় ভাষা’ মনে করলেও বাঙালি মুসলমানকে দেশি ভাষা—মাতৃভাষা বাংলা শিখতে পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশি ‘জাতীয়’ ভাষা বনাম দেশি মাতৃভাষা—বাঙালি মুসলমানের ভাষাচিন্তার দুই মেরুর এই দূরত্ব মোচন হয় বিশ শতকের গোড়ায়। এই সময় শক্তিশালী বাঙালি মুসলমান লেখকেরা বাংলা গদ্যে শরিক হলেন।

এই তো সেদিন, ১৮৮৯ সালেও শেখ আবদুস সোবহান তাঁর হিন্দু মুসলমান বইটি শুরু করেন এই কথা দিয়ে যে, ‘আমি জাতিতে মোসলমান—বঙ্গভাষা আমার জাতীয় ভাষা নহে…তাতে আবার জন্মস্থান পূর্ববঙ্গে।’

যেকোনো উপস্থিতির গর্ভেই অনুপস্থিতির শূন্যতা ব্যাদান করে থাকে। প্রমথ চৌধুরী যখন মুখের ভাষার সাহিত্যিক প্রকাশে জোর দিয়েছিলেন, তখন তাঁর গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ছিল ভাষার জাতিভেদ বা সাধু-শূদ্র ভেদাভেদ ঘুচিয়ে দেওয়ার। সেই সময় ঢাকা রিভিউর সম্পাদক আপত্তি তুলেছিলেন যে কলকাতার চলিত ভাষা তো ‘প্রাদেশিক’, ফলে মুদ্রিত রূপে তাকে ঠাঁই না দেওয়াই ভালো। প্রমথ বলেছিলেন, ‘মুদ্রিত লেখামাত্রই এক সময়ে অমুদ্রিত অবস্থায় থাকে এবং মুদ্রাযন্ত্রের ভিতর দিয়ে তা রূপান্তরিত হয়ে আসে না। বরং কোনো রূপ রূপান্তরিত হলেই আমরা আপত্তি করে থাকি।’ তাঁর মতে, ‘লেখার ভাষা শুধু মুখের ভাষার প্রতিনিধি মাত্র।’ প্রমথ ভাষাকে আরও জীবন-জবান-ঘনিষ্ঠ করে তুলতে চাইলেন।

কূটাভাসের কাঁটা বিঁধল এখানেই। আবুল মনসুর আহমদ আপত্তি তুললেন পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতার ভদ্রবিত্তের মুখের বা চলিত ভাষাকেই সমগ্র বাংলার মানভাষা হিসেবে গ্রাহ্য করা নিয়ে। বাবু সমাজের ভাষা যতই অব্যবহিতভাবে মুখ থেকে মুদ্রণে কায়েম হতে চেয়েছে, মনসুর ততই তার প্রতিক্রিয়ায় ভিন্ন মুখওয়ালা বান্দার জবানকে মুদ্রণে হাজির করে তুলতে চেয়েছেন।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর শহীদ স্মরণে নারীদের প্রভাতফেরি, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩। ছবি: রফিকুল ইসলাম

আবার কাজী নজরুল ইসলামের ব্রত ছিল ভিন্ন। তিনি কোনো পরিচয়ের বর্গের গণ্ডিতে নিজেকে আবদ্ধ না করে সকল তকমা ও বর্গীকরণ ছাপিয়ে যান একধরনের সারপ্লাস আইডেন্টিফিকেশন বা নিজের অতিশনাক্তিতে। নজরুলের ভাষা তাই বিচিত্রমুখী, তাঁর ঘরও তাই সীমানাভাঙা।

সাতচল্লিশের আজাদি ও দেশভাগের পরে পূর্ব বাংলায় ভাষার বিতর্ক যত না সাহিত্য পত্রিকার পাতায় হয়েছে, তার চেয়ে বেশি হয়েছে গণ–আন্দোলনের মিছিলে, স্লোগানে, প্রকাশ্য সভায় পঠিত কবিতা ও গানে। ফলে মাওলানা ভাসানী বা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে বাংলা ভাষা-পরিচয় নিয়ে পূর্ব বাংলার মীমাংসা অধিক পাওয়া যাবে। তখন পূর্ব বাংলায় শক্তিশালী ও আত্মকেন্দ্রিক মধ্যবিত্ত সমাজ সুসংহত হয়নি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের জের ধরে আবদুল লতিফ যখন গাইছেন, ‘যায় যদি ভাই দিমু সাধের জান, এই জানের বদল রাখুম রে ভাই, বাপ-দাদার জবানের মান’, তখন জান ও জবান শব্দের প্রয়োগ নিয়ে কেউ ভুরু কুঁচকেছিল বলে মনে হয় না। কারণ, আন্দোলনটা মূলত শ্রমজীবী ও পাট-বেচা টাকায় পড়তে আসা ছাত্ররাই করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় এম আর আখতার মুকুল চরমপত্রে বাঙাল ভাষার ধারালো প্রয়োগ করেছেন। বদরুদ্দীন উমরের সাম্প্রদায়িকতা বিশ্লেষণে, শামসুর রাহমান বা আল মাহমুদের কবিতায়, জহির রায়হানের লেখা ও চলচ্চিত্রে সাংস্কৃতিক, চিহ্নতান্ত্রিক প্রশ্নের জরুরি নানা মোকাবিলা ও ইশারা ছিল।

বিদেশি ‘জাতীয়’ ভাষা বনাম দেশি মাতৃভাষা—বাঙালি মুসলমানের ভাষাচিন্তার দুই মেরুর এই দূরত্ব মোচন হয় বিশ শতকের গোড়ায়। এই সময় শক্তিশালী বাঙালি মুসলমান লেখকেরা বাংলা গদ্যে শরিক হলেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে লেখার ভাষা মুখের ভাষা বিতর্কের প্রবলতার পর্যায় নব্বই দশক হয়ে শূন্য দশক। নিওলিবারাল অর্থনীতি ও উন্নয়নের বাতাস তখন উঠতি ভদ্রবিত্ত পাচ্ছে। নতুন পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ব্যান্ডের গানের বিকাশ ঘটছে। এই সময় ভাষা বা গদ্য হয়ে উঠল সাহিত্য-দর্শন ইত্যাদিতে নতুন দাগ কাটার বড় ক্ষেত্র। চিন্তার দিক থেকে আহমদ ছফা, ফরহাদ মজহার, সলিমুল্লাহ খান প্রমুখের রচনা ও চিন্তা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা বোঝার ক্ষেত্রে মূল্যবান ভূমিকা রেখেছিল। ভাষার কৃৎকলার দিক দিয়ে লেখক ব্রাত্য রাইসু প্রমিতের শাসন থেকে সরে এলেন। ভাষা প্রশ্নের এক ধরনের তত্ত্বায়ন ঘটল এবাদুর রহমানের পূর্ব বাঙলার ভাষা সংকলনে।

এত দিনে ঢাকা হয়ে উঠছে আবিশ্ব পুঁজিবাদের সরবরাহি এক সূচিবিন্দু। সেখানে লুঙ্গি হয়ে উঠছে চিহ্নতত্ত্ব—ব্রাত্য রাইসু, ফরহাদ মজহার, অরূপ রাহীর মতো বুদ্ধিজীবীদের পিন্ধনে। অরূপ রাহী এক ব্লগে (ও পরে বইয়ে) লুঙ্গিকে শনাক্ত করলেন ঘর ও বাহিরের, জনগণতন্ত্র বনাম উপনিবেশি আধুনিক ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী সংস্কৃতির ভেদচিহ্নে লাইফস্টাইল রাজনীতির এক প্রতিরোধের নিশান আকারে।

কিন্তু ভাষা ও চিহ্নতত্ত্বের পরিসরে এই ঘটনাটা দ্রুতই ভিন্ন মোড় নিল। জাতীয় মুদ্রিত ও টেলিভিশন মাধ্যমে এই চলতি ভাষার হাজিরা আসতে না আসতেই ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্ফোরক বিকাশ ঘটনাটাকে বদলে দিল। ডিজিটাল পরিসর মানুষের জবানকে নগদ লেখনে পর্যবসিত করল। বিরাট এক লেখনশাস্ত্রীয় বিপ্লব ঘটল।

নতুন ডিজিটাল সংস্কৃতিতে ভাষার যে নগদ হাজিরা, তার রাজনৈতিক ফলাফল হলো মিশ্র। ব্লগ, ফেসবুক হয়ে ‘বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ’ সাংস্কৃতিক রাজনীতির তীব্র বাহাসে রূপ নিল। রাজনৈতিক ঘটনাবলিতে ডিজিটাল অবাস্তব ও বাস্তবের সংশ্লেষ নিবিড়তর হলো। সিপিগ্যাং থেকে বটবাহিনী গালির মচ্ছবকে ডিজিটাল মব আক্রমণের অস্ত্র বানাল। প্রকাশ্য জনপরিসরে নানা ধর্ষকামী স্লোগান ধ্বনিত হতে লাগল। আমমানুষের লেখালেখিতে এখন আর বুদ্ধিজীবীদের আদব, দস্তুর, রীতি, নিয়মকানুনের বালাই নেই। সম্পাদকের বদলে প্রযুক্তি ও অ্যালগরিদম এখানে মধ্যস্থতা করছে, ফোকলোরিস্টের সংগৃহীত-সম্পাদিত লোকসাহিত্য নয়। এটা নতুন ধরনের মুখ ও মুখরতার সমান্তরাল যন্ত্রসাধিত কিউরেশন।

তবে নব্বই বা শূন্য দশকের মতো সাহিত্যের গণ্ডিতে ধরা ভাষা—প্রশ্ন এখন আর মূল থিয়েটার নয়। বাংলা ভাষার যে অভিব্যক্তিগত বৈচিত্র্য সাম্প্রতিক সাহিত্যে দেখা যায়, তাকে পরিচয়বাদী বা জাতীয়তাবাদী গণ্ডিতে আঁটালে বোঝা ও বোঝানো যায় না। এই ভাষার দেড় হাজার বছরের লিখিত-অলিখিত বাহাসি তুরাস ধারণ করেই ভবিষ্যতের বাংলা ভাষার সংসারের নিত্যরচনা হবে।

Read full story at source