সন্দেহজনক বার্তা যাচাইয়ে গুগলের সার্কেল টু সার্চ সুবিধা কতটা কার্যকর
· Prothom Alo

অনলাইন প্রতারণার কৌশল দিন দিন জটিল ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠছে। ফোনকল, বার্তা বা ই–মেইল—সব মাধ্যমেই সক্রিয় প্রতারকেরা। সম্প্রতি ফোনে আদান–প্রদান করা বার্তার মাধ্যমে অর্থ দাবি বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব বার্তার ভাষা ও উপস্থাপনপদ্ধতি এতটাই নিখুঁত হয় যে আসল ও নকল বার্তার মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যা সমাধানে সম্প্রতি সার্কেল টু সার্চে নতুন সুবিধা যুক্ত করেছে গুগল।
প্রতারণামূলক বার্তাগুলো সাধারণ বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে পাঠানো হয়। এসব বার্তায় বিভিন্ন জরিমানা পরিশোধের তাগাদা দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা লেখা থাকে। বার্তার ভাষা ও লিংকের উপস্থাপনা এতটাই বিশ্বাসযোগ্য হয় যে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে সাইবার অপরাধীদের কথামতো কাজ করে প্রতারিত হন। তবে বার্তায় লেখা তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করতে পারে গুগলের সার্কেল টু সার্চ সুবিধা।
Visit milkshakeslot.com for more information.
সন্দেহজনক বার্তা যাচাইয়ের জন্য প্রথমে ফোনে সন্দেহজনক বার্তাটি খুলতে হবে। এরপর সার্কেল টু সার্চ সুবিধাটি চালু করে বার্তার নির্দিষ্ট অংশ বৃত্তাকারভাবে চিহ্নিত করতে হবে। বার্তার ধরন বা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত কোনো প্রতারণার কৌশলের কোনো মিল থাকলেই সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করবে সার্কেল টু সার্চ সুবিধা।
প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। আর তাই সার্কেল টু সার্চকে প্রতারণা শনাক্তকরণের চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং প্রাথমিক সতর্কবার্তা পাওয়ার একটি সহায়ক উপায় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আর তাই কোনো বার্তার বিষয়ে সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা গ্রাহকসেবা নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করতে হবে।
সূত্র: বিজিআর